রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২
ওরিয়েন্টেশনে বক্তব্য রাখছেন ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ ক্যম্পাসের প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. মুহাম্মদ কুশাইরি বিন মুহাম্মদ রাজুদ্দিন।
আরও একদল তরুণ শিক্ষার্থীর উচ্চতর শিক্ষাজীবন শুরু হলো ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটির বাংলাদেশ ব্রাঞ্চ ক্যাম্পাসে। নতুন শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখর রাজধানীর বনানীর ইউসিএসআই ক্যাম্পাস।
আজ শনিবার জানুয়ারি ২০২৬ সেমিস্টারের শিক্ষার্থীদের নবীণ-বরণ বা ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়। এতে নতুন শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং ইউনিভার্সিটির শিক্ষকগণ অংশ নেন।
বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় মালয়েশিয়ার ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ ক্যম্পাসের প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. মুহাম্মদ কুশাইরি বিন মুহাম্মদ রাজুদ্দিন ওরিয়েন্টেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার জাতীয় সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। নবীণ বরণ অনুষ্ঠানে নতুন শিক্ষার্থীদের শপথ বাক্য পাঠ করানো হয়।
নতুন শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য রাখেন রেজিষ্ট্রার প্রফেসর শাহ সামিউর রশিদ ও সমাপনী বক্তব্য দেন ফ্যাকাল্টি অব কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ডিজিটাল ইনোভেশন এর ডিন প্রফেসর সৈয়দ আখতার হোসেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন দুই সিনিয়র শিক্ষার্থী- শশী হোসেন এবং আহনাফ ফতেহ হোসেন।
প্রো-ভিসি প্রফেসর কুশাইরি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হয়ে তোমরা সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছো। কারণ এটি বিশ্বের শীর্ষ ৩০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে এবং এশিয়ায় নবম অবস্থানে রয়েছে। একটি বিশ্বমানের ইউনিভার্সিটিতে তোমরা নিজেদের উচ্চ শিক্ষার যাত্রা শুরু করছো। এর মধ্যদিয়ে তোমাদের নিজেদের, পরিবারের এবং দেশ ও জাতির প্রত্যাশা পূরণে ভূমিকা রাখার সুযোগ তৈরি হলো। তিনি ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটির শিক্ষার মান, কর্মমুখী ও শিল্প-সংশ্লিষ্ট কারিকুলামে আস্থা রাখার আহবান জানান শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের প্রতি।
কম্পিউটার সায়েন্সের ডিন প্রফেসর ড. সৈয়দ আখতার হোসেন নতুন শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, তোমাদের স্বপ্ন পূরণের যাত্রা শুরু হলো এমন একটি ইউনিভার্সিটির সাথে যেটা কেবল মালয়েশিয়ার নয়, বিশ্বেও অন্যতম সেরা প্রতিষ্ঠান। ২০২৯ সালের মধ্যে ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ সুপরিসর সিটি ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠার কাজ করছে। তখন শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন দ্বার উন্মুক্ত হবে বলে জানান প্রফেসর আখতার।
নতুন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে রেজিস্ট্রার প্রফেসর শাহ সামিউর রশিদ বলেন, তোমাদের উচ্চতর শিক্ষাজীবন শুরু হলো বিশ্বের একটি শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে। তোমাদের এই পথচলা যেমন একদিকে চ্যালেঞ্জের, তেমনি বিশাল সুযোগ। নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার এই সুযোগ সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পরামর্শ দেন তিনি।
পরে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকগণ নতুন শিক্ষার্থীদের ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটির পরিচিতি, কারিকুলাম ও কোর্স পরিচিতি, পাঠদান পদ্ধতি, পরীক্ষা, এক্সট্রা কারিকুলাম কার্যক্রম- ইত্যাদি বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন। ব্রিফিং শেষে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাস ভ্রমণ করেন এবং ক্লাসরুম, সেমিনার রুম, বিভিন্ন ল্যাব, লাইব্রেরি, স্পোর্টস জোন ঘুরে দেখেন।
আপনার মতামত দিন:
(মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।)