সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২
ছবি : সংগৃহীত
চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার পতনের দিন রাজধানীর চানখারপুলে ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় পড়া শুরু করেছেন ট্রাইব্যুনাল। রায়ের পুরো কার্যক্রম বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) সরাসরি সম্প্রচার চলছে।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। ট্রাইব্যুনালের বাকি সদস্যরা হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
এ মামলায় ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ মোট আসামি আটজন। এর মধ্যে চারজনই পলাতক। বাকিদের আজ সকালে কারাগার থেকে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ট্রাইব্যুনালে এনেছে পুলিশ। তারা হলেন- শাহবাগ থানার তৎকালীন পরিদর্শক (অপারেশন) মো. আরশাদ হোসেন, কনস্টেবল মো. সুজন মিয়া, মো. ইমাজ হোসেন ইমন ও মো. নাসিরুল ইসলাম।
হাবিব ছাড়া পলাতক অপর তিনজন হলেন- ডিএমপির সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, রমনা অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার শাহ আলম মো. আখতারুল ইসলাম ও রমনা অঞ্চলের সাবেক সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ ইমরুল।
সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে যুক্তিতর্কে আট আসামির সর্বোচ্চ সাজা দাবি করেছেন প্রসিকিউশন। তবে আসামিপক্ষে তাদের খালাস প্রার্থনা করা হয়েছে।
প্রসিকিউশন-আসামিপক্ষের যুক্তি-পাল্টা যুক্তি খণ্ডন শেষে গত ২৪ ডিসেম্বর রায়ের তারিখ নির্ধারণ করেন ট্রাইব্যুনাল। ২০ জানুয়ারি এ রায় ঘোষণার কথা থাকলেও প্রস্তুত না হওয়ায় আজকের দিন ধার্য করা হয়।
এদিকে, পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালের দ্বিতীয় রায় ঘিরে কযেক স্তরের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। ট্রাইব্যুনাল ও সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় পুলিশ-র্যাব, বিজিবির পাশাপাশি নিয়োজিত রয়েছে সেনাবাহিনী। সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও তৎপর রয়েছেন।
আপনার মতামত দিন:
(মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।)