মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩


শিশুর স্বাভাবিক আচরণ বাবা-মায়ের কাছে কেন বিরক্তিকর মনে হয়?

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশিত:২২ জুন ২০২৬, ১১:১১

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

একটি বাচ্চাকে বড় করে তোলা কেবল মুখের কথা নয়। তাকে মানুষের মতো মানুষ করার জন্য বাবা-মায়ের অনেক সংগ্রাম করতে হয়, পার হতে হয় শত শত বাধা-বিপত্তি। কিন্তু মাঝে মধ্যে বাচ্চারা এমন আচরণ করে যা মা-বাবার রাতের ঘুম কেড়ে নেয়।

বাচ্চারা বাবা-মায়ের তৈরি করা বাধা রুটিনে থাকতে পছন্দ করে না। সে কারণেই একটি বাচ্চা সারাদিন শুধু ‘না’ বলতে থাকে। আর তা শুনে রেগে যায় বাচ্চাদের বাবা-মায়েরা। তারা ভাবেন, বাচ্চাদের এই আচরণ হয়তো স্বাভাবিক নয়। অথচ এই আচরণ একেবারেই স্বাভাবিক। শিশু বিশেষজ্ঞদের মতে, বাচ্চারা এই সময় স্বাধীনভাবে কোনো কিছু শেখার চেষ্টা করে। তাই সে সবকিছুতেই ‘না’ বলে।

খাওয়ার সময় বাচ্চারা নানারকম বায়না করে। খাবার না খাওয়া, ছুড়ে ফেলে দেওয়ার মতো আচরণ প্রায় সময় মা-বাবাকে চিন্তায় ফেলে দেয়।

শিশু বিশেষজ্ঞদের মতে, বাচ্চাদের এসব আচরণে ঘর অপরিষ্কার হয়ে যাওয়ায় বা বাচ্চাদের স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে বাবা-মায়ের রাগ হওয়া স্বাভাবিক। কোনো কিছু শেখার কৌতূহলের কারণে বাচ্চারা দীর্ঘক্ষণ সময় নষ্ট করে আর খাবার খেতে চায় না। সে কারণেই তারা খাবার খেতে অনীহা প্রকাশ করে। তখন খাবারে পরিবর্তন আনা উচিত।

বাচ্চারা তাদের পছন্দে জিনিস না পাওয়ায় বায়না করে থাকে, হাউমাউ করে কান্নাকাটি করে থাকে। তখন তাদের কান্না থামানো বেশ কষ্টকর হয়ে যায় মা-বাবার জন্য। ফলে তারা বিরক্ত হন। শিশু বিশেষজ্ঞদের মতে, বাচ্চারা সহজে আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না সে কারণে তারা অল্পতেই কান্না করে দেয়।

বাচ্চাদের একই কাজ বারবার করতে চাওয়ার প্রবণতা বড়দের কাছে অনেক সময় বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু কেন এমন করে বাচ্চারা? বিশেষজ্ঞদের মতে, বাচ্চারা একই রুটিনে থাকলে নিজেকে নিরাপদ বলে মনে করে। সে কারণে তারা ক্রমাগত একই কাজ করে।

অনেক শিশুই কারও সঙ্গে কিছু ভাগ করে নিতে চায় না। শিশু বিশেষজ্ঞদের মতে, বাবা-মায়েদের এই অভ্যাসে বিরক্ত হওয়ার কিছু নেই। তিন-চার বছর বয়স পর্যন্ত বেশিরভাগ বাচ্চাদের এই অভ্যাস থাকে। তবে তাদের বারবার বোঝালে তাদের মধ্যে ভাগ করে নেওয়ার অভ্যাস তৈরি হয়।

সম্পর্কিত বিষয়:

আরো পড়ুন

সর্বশেষ

জনপ্রিয়

নামাজের সময়সূচি

ওয়াক্ত সময়সূচি
ফজর ৩:৪৫ - ৫:০৭ ভোর
যোহর ১২:০০ - ৪:৩১ দুপুর
আছর ৪:৪১ - ৬:৪৩ বিকেল
মাগরিব ৬:৪৮ - ৮:১১ সন্ধ্যা
এশা ৮:১৬ - ৩:৪০ রাত

মঙ্গলবার ২৩ জুন ২০২৬