বৃহঃস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫, ২০ চৈত্র ১৪৩১


৯ম পে-স্কেল ও মহার্ঘ ভাতা

সরকারি চাকরিজীবী ঐক্য পরিষদের দাবি দ্রুত সময়ে সমাধানের আশ্বাস

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত:৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১৮:৩৬

ছবি সংগৃহীত

ছবি সংগৃহীত

৫০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা ও নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নসহ ৭ দফা দাবিতে আন্দোলনরত সরকারি চাকরিজীবী ঐক্য পরিষদের নেতাদের দাবি দ্রুত সময়ের মধ্যে সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ১৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল প্রধান উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি দিতে যান। তখন প্রধান উপদেষ্টা ব্যস্ত থাকায় তার হয়ে সহকারী একান্ত সচিব শাব্বীর আহমদ তাদের এ আশ্বাস দেন।

প্রধান উপদেষ্টার হয়ে ঐক্য পরিষদের নেতাদের শাব্বীর আহমদ বলেন, আপনাদের অনেক দুঃখকষ্ট আছে। সেগুলো আমি দেখেছি। সেগুলোর মধ্যে অগ্রাধিকার দাবিগুলো দ্রুত সময়ে সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়ে দেবো।

জানতে চাইলে প্রধান উপদেষ্টার এপিএস শাব্বির আহম্মেদ বলেন, ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি প্রতিনিধি দল প্রধান উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি দিতে আসছিল। তিনি রাষ্ট্রীয় কাজে ব্যস্ত থাকায় আমি ওনাদের সঙ্গে কথা বলে তাদের দাবি দাওয়া দ্রুত সময়ের মধ্যে সমাধান করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছি। প্রধান উপদেষ্টা তাদের দাবির বিষয়ে কনসার্ন (জানে) আশা করছি দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের সমাধান হবে।

আশ্বাসে ঐক্য পরিষদ আপাতত সন্তুষ্ট জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী উন্নয়ন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও ঐক্য পরিষদের সমন্বয়ক আসাদুল ইসলাম বলেন, ২০১৫ সালে সর্বশেষ পে স্কেল দিয়েছিল। প্রতি চার বছর পর পর পে স্কেল দেওয়ার কথা থাকলেও সেটি হয়নি। মাঝখানে দুটি পে স্কেল বকেয়া হয়েছে। অন্যদিকে দ্রব্যমূল্যের চরম ঊর্ধ্বগতির কারণে কর্মচারীদের জীবন-যাপন করতে অনেকের কষ্ট হচ্ছে। অনেকেই ঋণগ্রস্ত হয়ে গেছে। এসব বিষয় প্রধান প্রধান উপদেষ্টার কাছে গিয়েছিলাম।

তিনি রাষ্ট্রীয় কাজে ব্যস্ত থাকায় তার এপিএস আমাদের দাবি দাওয়ার কথা শুনেছেন এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে তা সমাধানের বিষয়ে আশ্বাস দিয়েছেন। আপাতত তার আশ্বাসে বিশ্বাস রাখতে চাই। আমরা তার কথা ও কাজের মধ্যে মিল পেতে কিছু দিন অপেক্ষা করবো।

এদিকে দুপুর ২টায় বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের ব্যানারে ১৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল দাবি দাওয়া নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা কার্যালয়ে যান। ৬টি সংগঠনের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক ছাড়াও আরও তিনজন উপস্থিত ছিলেন।

সেখানে উপস্থিত ছিলেন- কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি ওয়ারেস আলী, বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি জিয়াউল হক, সাধারণ সম্পাদক আসাদুল ইসলাম, সহ-সভাপতি আশফাকুল আশেকীন, ১১-২০ ফোরামের সভাপতি লুৎফর রহমান, সম্পাদক মাহমুদুল হাসান, খায়ের আহমেদ মজুমদার, আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি সেলিম মিয়া, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী সমিতির নেতা রফিকুল আলম ও সালজার রহমান।

৯ম পে-স্কেল ও মহার্ঘ ভাতা ছাড়াও তাদের অন্যান্য দাবিগুলো হচ্ছে—পে-কমিশন গঠন করে বৈষম্য মুক্ত ৯ম পে-স্কেল ঘোষণা, বেতন স্কেলের পার্থক্য সমহারে নির্ধারণ ও গ্রেড সংখ্যা কমাতে, পে-কমিশনে ১১-২০ গ্রেডের কর্মচারী প্রতিনিধি রাখা, অন্তর্বর্তীকালীন সময়ের জন্য ন্যূনতম ৬ হাজার টাকা মহার্ঘ ভাতা প্রদান, যেসব কর্মচারী নিজ গ্রেডের বেতন বৃদ্ধির শেষ ধাপে পৌঁছে গেছে তাদের বাৎসরিক বেতন বৃদ্ধি নিয়মিত করা। এছাড়া রয়েছে বৈষম্যহীন এক ও অভিন্ন নিয়োগ বিধি এবং আপগ্রেডেশন/পদোন্নতি নীতিমালা বাস্তবায়ন, আপগ্রেডেশন/পদোন্নতি নীতিমালা প্রণয়ণের ক্ষেত্রে সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুমোদিত আপগ্রেডেশন/ পদোন্নতি নীতিমালা পর্যালোচনা করে সর্বোচ্চ সুবিধাপ্রাপ্ত অভিন্ন নীতিমালা বাস্তবায়ন করা এবং ব্লক পোস্ট নিয়মিতকরণসহ শতভাগ আপগ্রেডেশন/পদোন্নতি দেওয়া।

আপনার মতামত দিন:

(মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।)
আরো পড়ুন

সর্বশেষ

জনপ্রিয়

নামাজের সময়সূচি

ওয়াক্ত সময়সূচি
ফজর ০৪:৩৭ ভোর
যোহর ১২:০৪ দুপুর
আছর ০৪:৩০ বিকেল
মাগরিব ০৬:১৪ সন্ধ্যা
এশা ০৭:২৯ রাত

বৃহঃস্পতিবার ৩ এপ্রিল ২০২৫