বৃহঃস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩


বারের নির্বাচন স্থগিতের কারণ জ্বালানি সংকট নাকি দলীয়করণ, প্রশ্ন আখতারের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত:১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৪:৫৬

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

বিদ্যুৎ সংকটের কারণে সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে উল্লেখ করে জাতীয় সংসদে রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন প্রশ্ন তোলেন—নির্বাচন স্থগিতে আসলে কী জ্বালানি সংকটের ইস্যু, নাকি একটি গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে দলীয়করণ?

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে আখতার হোসেন জানতে চান, ‘গণতান্ত্রিক যাত্রায় উত্তরণের জন্য একটি নির্বাচনের সময়সীমা ঘোষণা করা হয়েছিল ১৯ মে। নির্বাচনটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু গতকাল মধ্যরাতে হঠাৎ করে সেই নির্বাচনকে স্থগিত ঘোষণা করা হলো। প্রশ্ন হলো, আমরা যখন সংসদে জ্বালানি সংকটের কথা বলছি, তখন সরকারি দলের তরফ থেকে জ্বালানি সংকট নিয়ে এক কথা বলা হয়, আবার সরকারি একটি প্রতিষ্ঠান তারা স্থগিত করেছে জ্বালানি সংকটের কথা বলে। এই জায়গাটাতে একটি সিদ্ধান্ত আসা প্রয়োজন—আসলে কী জ্বালানি সংকটের ইস্যু, নাকি একটি গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে দলীয়করণ?’

আখতার হোসেন বলেন, ‘নির্বাচন স্থগিত করার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে যে, দেশে তীব্র জ্বালানি সংকট। এই কারণে বার কাউন্সিলের নির্বাচন স্থগিত করা হলো। এখানে দুই ধরনের বিষয় রয়েছে। এক. এটি একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান, যেটির সঙ্গে আইন মন্ত্রণালয়ের একটি সংযোগ আছে। আবার জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের অজুহাত দেখিয়ে নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। আপনি (স্পিকার) জেনে থাকবেন যে, বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনারস অ্যান্ড বার কাউন্সিল অর্ডারের বিধান অনুযায়ী তিন বছর অন্তর অন্তর নির্বাচন হওয়ার কথা। যদি নির্বাচন করার মতো পরিবেশ না থাকে, অর্থাৎ প্যান্ডেমিক হয় বা এ ধরনের কোনো দুর্যোগ ঘটে, সে সময়টাতে এক বছরের জন্য একটি কমিটির বিধান করোনার সময় করা হয়েছিল। কিন্তু অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করার পর সেই জায়গাটাতে কোনো অ্যাক্ট বা প্যান্ডেমিক না থাকা সত্ত্বেও নির্বাচন না দিয়ে তখন একটি অ্যাডহক কমিটি করা হয়। সেই কমিটি এখনও পর্যন্ত চলমান রয়েছে। সেই কমিটি থেকে একটি গণতান্ত্রিক যাত্রায় উত্তরণের জন্য একটি নির্বাচনের সময়সীমা ঘোষণা করা হয়েছিল ১৯ মে।’

এ সময় ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘সংসদ সদস্য, আপনার মূল বক্তব্যটি বুঝতে পেরেছি, এটি কার্যবিবরণীতে আনার জন্য ভালো হবে, রেকর্ড থাকবে। আপনি দয়া করে একটি নোটিশ দেন।’

আখতার হোসেন তখন বলেন, ‘আমরা নোটিশ নিয়ে আসব। কিন্তু যেহেতু আজকে জ্বালানি মন্ত্রী উপস্থিত আছেন, আইনমন্ত্রী উপস্থিত আছেন, আপনি চাইলে তাদের থেকে এই বিষয়ে একটি সুরাহা, তাদেরকে একটি বিবৃতি দেওয়ার জন্য আপনি আহ্বান করতে পারেন।’

সম্পর্কিত বিষয়:

আপনার মতামত দিন:

(মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।)
আরো পড়ুন

সর্বশেষ

জনপ্রিয়

নামাজের সময়সূচি

ওয়াক্ত সময়সূচি
ফজর ৪:২০ - ৫:৩৩ ভোর
যোহর ১১:৫৮ - ৪:২০ দুপুর
আছর ৪:৩০ - ৬:১৫ বিকেল
মাগরিব ৬:২০ - ৭:৩৩ সন্ধ্যা
এশা ৭:৩৮ - ৪:১৫ রাত

বৃহঃস্পতিবার ১৬ এপ্রিল ২০২৬