বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
ছবি : সংগৃহীত
পাকিস্তানকে টেস্টে হোয়াইটওয়াশ করে র্যাঙ্কিংয়ে বড় লাফ দিয়েছিল বাংলাদেশ। সাত নম্বরে ওঠে আসা টাইগাররা নিজেদের অবস্থান এক মাসও ধরে রাখতে পারেনি। বরং জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ইনিংস ব্যবধানে হেরে এক ধাপ পিছিয়েছে নাজমুল শান্তর দল। বর্তমানে টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান অষ্টম। এক ধাপ এগিয়ে সাতে উঠেছে পাকিস্তান।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ফেভারিট হিসেবে একমাত্র টেস্টে খেলতে নেমেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু ম্যাচের প্রথম দিনেই ১৪০ রানে সব উইকেট হারিয়ে পিছিয়ে পড়ে টাইগাররা। আচমকা ব্যাটিং ধসের সেই ক্ষত আর পূরণ করতে পারেনি শান্তর দল। পরে ব্যাটিংয়ে নেমে জিম্বাবুয়ে ৪১০ রান করলে বাংলাদেশের পরাজয় অনেকটা নিশ্চিত হয়ে পড়ে।
দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে আবারও একই দশায় পড়ে বাংলাদেশ। টপঅর্ডার কিংবা মিডলঅর্ডার—ব্যাট হাতে কেউই দাঁড়াতে পারেননি। উল্টো আউট হওয়ার মিছিলে যোগদান করতে ব্যাটারদের যেন প্রতিযোগিতা চলেছিল। শেষ পর্যন্ত ১৮৫ রানে সব উইকেট হারিয়ে ইনিংস ও ৮৫ রানে পরাজয় বরণ করে বাংলাদেশ।
২৬ বছরের টেস্ট ইতিহাসে বাংলাদেশ ইনিংস ব্যবধানে কম হারেনি। কিন্তু জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হেরেছে দ্বিতীয়বার। সবশেষ ২০০১ সালে জিম্বাবুয়ের সঙ্গে প্রথম দেখায় হেরেছিল টাইগাররা। প্রায় ২৫ বছর পর আবারও রোডেশিয়ানদের বিপক্ষে হারলো বাংলাদেশ। এমন পরাজয়ে র্যাঙ্কিংয়ে সুখের দিনটা বেশিদিন টিকলো না শান্তদের।
গত মে মাসে পাকিস্তানকে ঘরের মাটিতে ২-০ ব্যবধানে টেস্ট হারিয়েছিল বাংলাদেশ। ধবলধোলাই করার পুরস্কারটা হাতেনাতেই পেয়েছিল লাল-সবুজের দল। আইসিসির হালনাগাদ টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ে দুই ধাপ এগিয়ে প্রথমবার সপ্তম স্থানে উঠেছিল টাইগাররা। দীর্ঘদিন ৯ নম্বরে থাকা বাংলাদেশ পাকিস্তান ও ওয়েস্ট ইন্ডিজকে পেছনে ফেলেছিল।
এক মাসের ব্যবধানে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হেরে এক ধাপ পিছিয়ে পড়েছে বাংলাদেশ। পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে বাংলাদেশের রেটিং পয়েন্ট ছিল ৭৮। তবে এক ম্যাচ হেরে ৫ পয়েন্ট হারিয়ে বর্তমানে ৭৩ পয়েন্টের মালিক বাংলাদেশ। বর্তমানে টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান অষ্টম। অন্যদিকে ৭৫ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে সপ্তম স্থানে উঠেছে পাকিস্তান।