বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
ফাইল ছবি
দেশের ৬ হাজার ৮৮৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নলকূপের পানিতে মাত্রাতিরিক্ত আর্সেনিক, আয়রন ও ক্লোরাইডের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এসব বিদ্যালয়ের নলকূপের পানি খাবার পানি হিসেবে ব্যবহার না করতে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলোকে নির্দেশ দেওয়ার জন্য জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের অনুরোধ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মিরাজুল ইসলাম উকিলের সই করা এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। চিঠিটি দেশের সব জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, পিইডিপি-ফোর, জিপিএস, এনএনজিপিএস প্রকল্পের আওতায় আগে পানি পরীক্ষা করা হয়েছে– এমন বিদ্যালয়গুলো বাদ দিয়ে অবশিষ্ট ৪৭ হাজার ৩৬৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পানির উৎস পরীক্ষা করেছে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর।
পরীক্ষায় দেখা গেছে, ৪০ হাজার ৪৮১টি বিদ্যালয়ের পানি নিরাপদ সুপেয় পানি হিসেবে গ্রহণযোগ্য। অন্যদিকে, ৬ হাজার ৮৮৮টি বিদ্যালয়ের পানিতে গ্রহণযোগ্য মাত্রার চেয়ে বেশি আর্সেনিক, আয়রন ও ক্লোরাইডের উপস্থিতি পাওয়া গেছে।
এ অবস্থায় এসব বিদ্যালয়ের নলকূপের পানি খাবার পানি হিসেবে ব্যবহার থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলোকে নির্দেশ দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের অনুরোধ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
চিঠিতে আরও বলা হয়, পানি পরীক্ষার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে নিরাপদ সুপেয় পানি হিসেবে গ্রহণযোগ্য ৪০ হাজার ৪৮১টি বিদ্যালয় এবং পানিতে মাত্রাতিরিক্ত আর্সেনিক, আয়রন ও ক্লোরাইড পাওয়া ৬ হাজার ৮৮৮টি বিদ্যালয়ের পৃথক তালিকা সংযুক্ত করা হয়েছে।
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের ১৩ আগস্টের প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।