রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ছবি : সংগৃহীত
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, অধিকাংশ জেলায় আমরা ১০০ থেকে ১০৪ শতাংশ পর্যন্ত হামের টিকা কার্যক্রম সম্পন্ন করেছি। যারা টিকা পায়নি, এখন আমরা মাইকিং করে খুঁজে খুঁজে তাদের টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করছি।
রোববার (১৭ মে) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) আয়োজিত ‘হাম ও ডেঙ্গুরোগ নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা ও প্রতিরোধই সর্বোত্তম পন্থা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, হাম থেকে নিউমোনিয়ায় যাওয়ার অন্যতম কারণ পুষ্টির অভাব। মায়ের শরীরে কোনো পুষ্টি নেই। আমি হাসপাতালে গিয়ে দেখেছি, হামে আক্রান্ত শিশুদের মায়েদের শরীরে পুষ্টির ঘাটতি রয়েছে। এসব মায়েরা শিশুদের পর্যাপ্ত ব্রেস্টফিডিং করান না। বাচ্চারা ৯ মাস পর্যন্ত মায়ের কাছ থেকেই ইমিউনিটি নিয়ে থাকে। বাচ্চাদের যদি মায়েরা নিয়মিত বুকের দুধ না খাওয়ান, তাহলে বাচ্চা তো অপুষ্টিতে থাকবেই। এই পুষ্টির অভাবে অধিকাংশ শিশু নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। এর ফলেই শিশুদের মৃত্যু হচ্ছে।
আইসোলেশন নিয়ে মন্ত্রী বলেন, হামে আক্রান্ত শিশুদের শরীরে র্যাশ দেখা দেওয়ার ৪ দিন আগ থেকেই অন্যের শরীরে হাম ভাইরাস ছড়াতে থাকে। একজন হামের রোগী সর্বোচ্চ ১৮ জনকে হাম ছড়াতে পারে। তাই বর্তমান সময়ে শিশুদের অন্য বাচ্চাদের থেকে একটু নিরাপদে রাখতে হবে। হাসপাতালগুলোতেও নির্দেশনা দিয়েছি, তারা যেন হামে আক্রান্ত শিশুদের আইসোলেশনের ব্যাপারে সর্বোচ্চ সচেতন থাকে।
অনুষ্ঠানে ড্যাবের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কেনানের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন ড্যাবের সাবেক মহাসচিব ডা. মো. আব্দুস সালাম, ড্যাব মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিলসহ অনেকে।