মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
ছবি : সংগৃহীত
দেশের তরুণ উদ্যোক্তা ও সম্ভাবনাময় স্টার্টআপগুলোর জন্য সরকার সবসময় পাশে থাকবে বলে আশ্বস্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, নতুন কিছু করার পথ সহজ নয়, তবে সরকার সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে উদ্যোক্তাদের সহযোগিতা করবে। যাতে তারা নিজেদের উদ্যোগের মাধ্যমে দেশ ও মানুষের কল্যাণে অবদান রাখতে পারেন।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব আলী চৌধুরী সিনেট হলে আয়োজিত ‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা যারা এখানে নতুন উদ্যোক্তা বা সম্ভাব্য উদ্যোক্তা রয়েছেন, যারা এগিয়ে আসতে চাচ্ছেন, যারা কিছু করতে চাচ্ছেন আপনাদের শুধু একটা কথা বলি—আপনারা যেটা করতে চাইছেন, এটা খুব সহজ কাজ নয়, খুবই কঠিন। কিন্তু আপনি পারবেন যদি আপনার ইচ্ছা থাকে।
তিনি বলেন, উদ্যোক্তাদের অনেক প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে তাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা থাকবে।
তিনি আরও বলেন, এই মুহূর্তে সরকারের অবস্থান থেকে আমি বলতে পারি, আমরা আছি আপনাদের সঙ্গে, আপনাদের হেল্প করার জন্য, পথ দেখানোর জন্য। আপনাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আমরা আছি। কতটুকু পারবো আমি জানি না, কিন্তু আমরা আছি, যতটুকু পারবো সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে আপনাদের পাশে থাকার চেষ্টা করবো, ইনশাআল্লাহ।
তরুণ উদ্যোক্তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা শুধু নিজেদের জন্য নয়, দেশের লাখো-কোটি মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাদের উদ্ভাবন, উদ্যোগ ও সৃজনশীলতা বাংলাদেশের অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি বলেন, আপনারা আজকে যারা উদ্যোক্তা হবেন, যারা হতে চাইছেন, যারা হয়ে গিয়েছেন এবং এগিয়ে গিয়ে যারা মানুষ, সমাজ ও সামগ্রিকভাবে দেশের উপকার করছেন, আপনাদের প্রয়োজন। নিজের জন্য আপনাদের প্রয়োজন না, আপনাদের প্রয়োজন লাখো-কোটি মানুষের জন্য, আপনাদের প্রয়োজন এই দেশের জন্য।
বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী নিজের জীবনের সংগ্রামের কথাও তুলে ধরে বলেন, দীর্ঘ সময় মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন, অপমান এবং নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে তাকে এগিয়ে আসতে হয়েছে। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি তরুণদের কঠিন সময়েও হাল না ছাড়ার আহ্বান জানান।
দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে তারেক রহমান বলেন, সম্প্রতি বিভিন্ন উদ্ভাবনী আয়োজন, স্কুলশিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ এবং স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের কাজ দেখে তার আত্মবিশ্বাস আরও বেড়েছে। তিনি বিশ্বাস করেন, আগামী প্রজন্ম বাংলাদেশের নেতৃত্ব নিয়ে দেশকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।