বৃহঃস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩


ওয়াশিং মেশিন দ্রুত নষ্ট হওয়ার কারণ জানেন না অনেকেই

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশিত:১৩ আগষ্ট ২০২৬, ১০:৩২

ছবি-সংগৃহীত

ছবি-সংগৃহীত

আজকাল ওয়াশিং মেশিন আমাদের দৈনন্দিন কাপড় ধোয়ার কাজ অনেকটাই সহজ করে দিয়েছে। মেশিনে কাপড় দিয়ে ডিটারজেন্ট ঢেলে একটি বোতাম চাপলেই কাজ শুরু হয়ে যায়। কিন্তু এই সহজ প্রক্রিয়াতেই অনেকেই এমন একটি বড় ভুল করেন, যা সাধের ওয়াশিং মেশিনটি চিরতরে নষ্ট করে দিতে পারে। অনেকেরই ধারণা, বেশি ডিটারজেন্ট ব্যবহার করলে হয়তো জামাকাপড় আরও বেশি পরিষ্কার ও ঝকঝকে হবে। কিন্তু আদতে তা নয়। প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত ডিটারজেন্ট ব্যবহারের কারণে কাপড়ের যেমন ক্ষতি হয়, তেমনই মেশিনের কার্যক্ষমতাও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়।

অতিরিক্ত ডিটারজেন্ট ব্যবহারে কী কী ক্ষতি হয়?

অতিরিক্ত ফেনা ও দাগ: মেশিনে বেশি ডিটারজেন্ট দিলে অতিরিক্ত ফেনা তৈরি হয়। অনেক সময় এই ফেনা কাপড়ের তন্তুর মধ্যে আটকে থাকে এবং পুরোপুরি ধুয়ে যায় না। ফলে কাপড় ধোয়ার পর তা শক্ত বা খসখসে হয়ে যেতে পারে, কাপড়ে সাদা দাগ পড়ে এবং অস্বাভাবিক দুর্গন্ধও হতে পারে।

মেশিনের মারাত্মক ক্ষতি: অতিরিক্ত ডিটারজেন্ট ধীরে ধীরে মেশিনের ড্রাম, পাইপ, ফিল্টার এবং অন্যান্য অংশে জমতে শুরু করে। এর ফলে পানি নিষ্কাশনের প্রক্রিয়া বাধা পায় এবং মেশিন স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে সমস্যায় পড়ে।

ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ: দীর্ঘদিন অতিরিক্ত ডিটারজেন্ট ব্যবহারের ফলে মেশিনের ভেতরের আর্দ্রতার সঙ্গে ছত্রাক, শ্যাওলা এবং ব্যাকটেরিয়া জন্ম নিতে পারে। বিশেষ করে রাবার গ্যাসকেটের আশপাশে ময়লা জমে মেশিন থেকে দুর্গন্ধ বের হতে পারে।

ডিটারজেন্ট ব্যবহারের সঠিক নিয়ম

কতটুকু ডিটারজেন্ট ব্যবহার করবেন, তা নির্ভর করে ওয়াশিং মেশিনের ধরন, কাপড়ের পরিমাণ, পানির পরিমাণ এবং কাপড় কতটা নোংরা—তার ওপর।

মেশিনের ধরন: ফ্রন্ট-লোড মেশিনে তুলনামূলক কম পানি ব্যবহার করা হয়, তাই এতে কম ডিটারজেন্টের প্রয়োজন হয়। অন্যদিকে, টপ-লোড মেশিনে বেশি পানি লাগায় ডিটারজেন্টের পরিমাণ কিছুটা আলাদা হতে পারে।

সহজ উপায়: খুব বেশি নোংরা কাপড় থাকলে তা প্রথমে কিছুক্ষণ সাধারণ পানিতে ভিজিয়ে রাখতে পারেন। এতে কম ডিটারজেন্ট ব্যবহার করেই কাপড় ভালোভাবে পরিষ্কার করা সম্ভব।

প্রতিবার সঠিক পরিমাণে ডিটারজেন্ট ব্যবহার করাই ওয়াশিং মেশিনের দীর্ঘস্থায়িত্ব ও কার্যক্ষমতা বজায় রাখার একমাত্র উপায়।

সম্পর্কিত বিষয়:

আরো পড়ুন

সর্বশেষ

জনপ্রিয়

নামাজের সময়সূচি

ওয়াক্ত সময়সূচি
ফজর ৪:১২ - ৫:২৮ ভোর
যোহর ১২:০৩ - ৪:৩০ দুপুর
আছর ৪:৪০ - ৬:২৯ বিকেল
মাগরিব ৬:৩৪ - ৭:৪৯ সন্ধ্যা
এশা ৭:৫৪ - ৪:০৭ রাত

বৃহঃস্পতিবার ১৩ আগস্ট ২০২৬