বুধবার, ৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩
ছবি : সংগৃহীত
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, আমাদের মূল্যবোধের যে অবক্ষয় ঘটেছে, সেটা পারিবারিক মূল্যবোধ হোক বা ধর্মীয় মূল্যবোধ হোক, সেটার উন্নতি ঘটাতে হবে। তিনি বলেন, আমাদের পারিবারিক মূল্যবোধ এবং ধর্মীয় মূল্যবোধ কীভাবে পলিসিগতভাবে উন্নতি করা যায় সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা সেটাই করছি।
বুধবার (৬ মে) বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সারা দেশের স্কুল পর্যায়ের অষ্টম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি এবং স্নাতক পর্যায়ে বিএনসিসি গড়ে তোলা আমাদের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছে। নিরক্ষরতা দূরীকরণসহ যে কোনো জাতীয় দুর্যোগে বিএনসিসি কীভাবে ভূমিকা রাখতে পারে এবং এই সংগঠনটিকে কীভাবে আরও শক্তিশালী করা যায়—আজ আমরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সেসব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, আমরা এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা চাই যেখানে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ কালচার গড়ে উঠবে অর্থাৎ এমন একটি শিক্ষা কার্যক্রম যেখানে আনন্দের সঙ্গে উৎসবমুখর পরিবেশে আমাদের শিক্ষার্থীরা জ্ঞান অর্জন করবে, বাস্তব জীবনের জন্য তারা প্রিপেয়ার হবে, সেই লক্ষ্যে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আমরা মূল্যবোধ বা মান-সম্পন্ন শিক্ষার ভিত্তিক করতে চাই, প্রিন্সিপাল বেস করতে চাই, এথিক্স বেস করতে চাই, যেন তারা সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠে এবং সেই ক্ষেত্রে কারিকুলার অক্টিভিটিকে প্রাধান্য দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, সরকারের যে উন্নয়ন কার্যক্রম রয়েছে ম্যানিফেস্টোতে, যে ধারাগুলো রয়েছে সেই পলিসিগুলো বাস্তবায়নে আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের যুক্ত করতে চাই। তার জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় আমরা বিএনসিসি, গার্লস গাইড, স্কাউট, রোভার সহ বিভিন্ন কার্যক্রমকে আরও সানিত করতে চাই। আমাদের মূল উদ্দেশ্য বিএনসিসি, গার্লস গাইড কিংবা স্কাউটের মতো এ ধরনের যে প্ল্যাটফর্মগুলো রয়েছে এগুলোকে ন্যাশনাল লেভেলে কীভাবে আরও বিস্তৃত আকারে আমরা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করতে পারি তা নিয়ে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
আপনার মতামত দিন:
(মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।)