সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩


ঈদযাত্রা

সায়েদাবাদে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড়, বাড়তি ভাড়ার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত:২৫ মে ২০২৬, ১০:৪৬

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে রাজধানীর সায়েদাবাদ ও যাত্রাবাড়ী বাস টার্মিনালে সকাল থেকেই শুরু হয়েছে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড়। তবে প্রতিবারের মতো এবারও যাত্রীদের পিছু ছাড়েনি ভোগান্তি; তীব্র বাস সংকটের পাশাপাশি দূরপাল্লার পরিবহনে যাত্রীপ্রতি ২০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।

অগ্রিম টিকিট না পেয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হওয়া অনেক যাত্রীকে বাধ্য হয়ে লোকাল বাসে দাঁড়িয়ে কিংবা ইঞ্জিনের ওপর বসেই গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হতে দেখা গেছে।

সোমবার (২৫ মে) সকাল ৯টার দিকে রাজধানীর সায়েদাবাদ ও যাত্রাবাড়ী এলাকার বাস কাউন্টারগুলো ঘুরে দেখা গেছে, রাস্তার পাশে শত শত ঘরমুখো মানুষ বাসের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছেন। দেশের বিভিন্ন জেলার উদ্দেশ্যে একের পর এক ছেড়ে যাচ্ছে দূরপাল্লার বাস; সেই সঙ্গে নিয়মিত পরিবহনের পাশাপাশি বিভিন্ন রুটে লোকাল বাসও চলাচল করছে।

তবে এবারের ঈদযাত্রায় অগ্রিম টিকিট কেটে রাখা যাত্রীদের পথ কিছুটা আরামদায়ক হলেও চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন তাৎক্ষণিকভাবে টিকিট সংগ্রহ করতে আসা সাধারণ মানুষ।

অভিযোগ উঠেছে, উপস্থিত টিকিট ক্রেতাদের কাছ থেকে নিয়মিত ভাড়ার চেয়ে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, তীব্র টিকিট সংকটের কারণে আসন না পেয়ে অনেক যাত্রীকে বাধ্য হয়ে লোকাল বাসে দাঁড়িয়ে কিংবা ইঞ্জিনের ওপরে বসেই ঝুঁকিপূর্ণভাবে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হতে দেখা গেছে।

সায়েদাবাদ থেকে বরিশাল যাওয়ার উদ্দেশ্যে হানিফ পরিবহনের ৪টি টিকিট সংগ্রহ করেছেন জসিম ও তার পরিবার। জসিম জানান, নিয়মিত ৫০০ টাকায় বরিশাল যাওয়া-আসা করতে পারলেও এখন তাদের কাছ থেকে ৮০০ টাকা করে নেওয়া হয়েছে। এটি শুধুমাত্র এবারের ঈদের চিত্র নয়, প্রত্যেক ঈদেই তাদের নিয়মিত ভাড়ার চেয়ে ২০০-৩০০ টাকা বেশি দিয়ে যেতে হয়।

জসিম অভিযোগ করে আরও বলেন, ভাড়া বেশি নেওয়ার পরও নির্ধারিত সময়ে গাড়ি ছাড়ছে না। পেছনের দুই-একটা সিটে যাত্রীরা যেতে চান না। সেগুলো ভর্তি করতে ৩০ মিনিটের বেশি সময় ধরে টার্মিনালেই অপেক্ষা করানো হচ্ছে।

বরিশালগামী লোকাল পরিবহন বিএমএফ। সকাল ৯টার দিকে যাত্রাবাড়ী মোড় থেকে বিএমএফ-এর একটি পরিবহনে সিট ভর্তি হওয়ার পর দাঁড়িয়ে যাত্রী নিয়ে গন্তব্যে ছুটতে দেখা গেছে।

ওই পরিবহনটির কয়েকজন যাত্রী জানান, ঈদ ছাড়া অন্যান্য সময় এই ধরনের পরিবহনে তারা যান না। অন্যান্য সময় এসব পরিবহনে ৪০০ টাকা দিলেও বরিশাল নিয়ে যায়। এখন বাধ্য হয়ে এই পরিবহনে ৭০০ টাকা দিয়ে টিকিট নিয়েছেন তারা। আর যারা দাঁড়িয়ে যাচ্ছেন, তাদের কাছ থেকেও ৬০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে।

কেবলমাত্র বরিশালগামী পরিবহনেই নয়, অন্যান্য রুটের পরিবহনগুলোতেও বাড়তি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের নন-এসি গাড়িতে নিয়মিত ভাড়া ৭০০-৮০০ টাকা হলেও এখন নেওয়া হচ্ছে ৯০০ থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত। ঢাকা থেকে খুলনাগামী পরিবহনগুলোতেও ৭০০ টাকার ভাড়া ৯০০-১০০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে।

সম্পর্কিত বিষয়:

আরো পড়ুন

সর্বশেষ

জনপ্রিয়

নামাজের সময়সূচি

ওয়াক্ত সময়সূচি
ফজর ৩:৪৮ - ৫:০৮ ভোর
যোহর ১১:৫৫ - ৪:২৪ দুপুর
আছর ৪:৩৪ - ৬:৩৩ বিকেল
মাগরিব ৬:৩৮ - ৭:৫৮ সন্ধ্যা
এশা ৮:০৩ - ৩:৪৩ রাত

সোমবার ২৫ মে ২০২৬