রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩


বদলে যাওয়া বাবা : সমাজে ও সাহিত্যে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত:২১ জুন ২০২৬, ১০:৪৮

ছবি ‍: সংগৃহীত

ছবি ‍: সংগৃহীত

‘তোমাদের সন্তানরা তোমাদের সন্তান নয়। তারা জীবনের নিজের প্রতি আকুলতার সন্তান। তোমাদের মাধ্যমে আসে তারা, কিন্তু তোমাদের থেকে নয়। তোমাদের সাথে থাকে, তবু তারা তোমাদের নয়। তোমাদের ভালোবাসা তাদের দিতে পারো, কিন্তু তোমাদের চিন্তা নয়। তাদের নিজস্ব চিন্তা আছে।

তাদের দেহকে আশ্রয় দিতে পারো, তাদের আত্মাকে নয়, এমনকি তোমাদের স্বপ্নেও নয়। তোমরা তাদের মতো হওয়ার চেষ্টা করতে পারো, কিন্তু তাদের তোমাদের মতো বানানোর চেষ্টা করো না। কারণ জীবন পেছনে ফেরে না বা গতকালের সঙ্গে থেমে থাকে না। তোমরা সেই ধনুক যেখান থেকে তোমাদের সন্তানেরা জীবন্ত তীরের মতো নিক্ষিপ্ত হয়।’

বাবা ও সন্তানের সম্পর্কের জটিলতা নিয়ে যারা ভাবছেন, কাহলিল জিবরানের বিখ্যাত এ উক্তি তাদের দিক নির্দেশনা দিতে পারে। বাবা-সন্তানের সম্পর্ক অবশ্য বহুমাত্রিক। এ সম্পর্ককে বোঝানোর জন্য কেবল ধনুক আর তীরের রূপক যথেষ্ট নয়।

উইলহেম বুশ বলেছেন, ‘বাবা হয়ে যাওয়া কঠিন নয়। কঠিন হচ্ছে বাবা হওয়া (It is easy to become a father, but very difficult to be a father)।’ সে তুলনায় মা ও সন্তানের সম্পর্ক অনেকটাই সরলরৈখিক।

‘মা’ বললেই মমতা আর আত্মত্যাগের এক ছবি ভেসে ওঠে চোখের সামনে। ‘মাতৃমূর্তি’ মানেই স্নেহ আর ভালোবাসা মাখা কোমল এক মুখচ্ছবি। ‘পিতৃমূর্তি’ কথাটা এমন সহজসরল কোনো ছবি চোখের সামনে তুলে ধরে না। বাবা মানেই শাসন, কর্তৃত্ব, পৃষ্ঠপোষকতা, অভিভাবকত্ব-সব মিলিয়ে এক জটিল ভাবমূর্তি।

বাবা-সন্তান সম্পর্কের এই অন্তর্গত জটিলতার কারণেই বোধ হয় যুক্তরাষ্ট্রের মা দিবসের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির ৫৮ বছর পর, ১৯৭২ সালে আসে বাবা দিবসের স্বীকৃতি। বাকি বিশ্বেও ব্যাপারটা মোটামুটি এ রকমই।

সাহিত্যের কথায় আসি। মা দিবসকে ঘিরে আবেগ আর ভালোবাসার যে স্বতঃস্ফূর্ত প্রকাশ ঘটে সে তুলনায় বাবা দিবস নিয়ে আবেগের বাড়াবাড়ি বেশ কমই। সাহিত্য সমালোচক ডরিস এলিয়ট এর কারণ অনুসন্ধানের প্রয়াস পেয়েছেন এভাবে, ‘মা আদরযত্ন আর মমতার প্রতীক, অন্যদিকে সাহিত্যের বাবারা প্রায়ই কঠোর, অনুপস্থিত, কখনো কখনো মৃত। বিশ শতকের আগে পর্যন্ত সমাজে প্রচলিত লৈঙ্গিক ভূমিকা এর একটা কারণ। সে সময় পুরুষত্ব মানেই ছিল অন্যের ওপর কর্তৃত্ব ফলানো, এ ক্ষমতাকে কীভাবে ইতিবাচকভাবে ব্যবহার করতে হবে অনেক বাবাই সেটি জানতেন না।’

সাহিত্য সমাজেরই দর্পণ। যে চরিত্রগুলোকে আমরা সাহিত্যে জীবন্ত হয়ে উঠতে দেখি তাদের অনুপ্রেরণা আসে চারপাশের চেনা দুনিয়া থেকেই। বাবাকে কর্তৃত্বপরায়ণ অভিভাবক হিসেবে দেখানোর যে ভিক্টোরীয় সাহিত্যরীতি, তার উৎস শিল্প বিপ্লব। কারখানায় কাজ করার জন্য এ সময়ই ঘর ছাড়তে হয় বাবাকে। দৈনন্দিন গার্হস্থ্য জীবন থেকে তিনি হয়ে পড়েন অনুপস্থিত। সাহিত্যেও এর প্রতিফলন ঘটে।

এমিল ম্যাকনাইটের মতে, ‘শিল্প বিপ্লব বাবাদের ঘর থেকে বাইরে নিয়ে আসে, ফলে উনিশ শতকের সাহিত্যেও সেটি প্রতিফলিত হয়। মাতৃত্বের কাল্ট ক্রমশই সন্তানকে লালনপালনের একচেটিয়া প্রতীকে পরিণত হয়। বাবা চেষ্টা করেন এর মধ্যেও নিজের কর্তৃত্বকে ধরে রাখতে। মজার ব্যাপার হচ্ছে, কর্তৃত্বপরায়ণ ভিক্টোরীয় বাবার যে প্রতিমূর্তি সাহিত্যে ও জীবনীতে পাওয়া যায় সেটি আসলে সংসারে বাবার ভূমিকা ক্রমশ দুর্বল হয়ে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতেই সৃষ্ট।’

কর্তৃত্বপরায়ণ আর বন্ধুত্বসুলভ, নন্দিত আর নিন্দিত দুই ধরনের বাবাতেই ভরা সাহিত্য ভুবন। সাহিত্যের ইতিহাসে সবচেয়ে নন্দিত বাবাদের একজন হার্পার লি-র ‘টু কিল আ মকিংবার্ড’-এর অ্যাটিকাস ফিঞ্চ। কেবল নিজের দুই সন্তানের কাছেই নয়, ভালোমনের সব মানুষের কাছেই সে এক নায়ক।

বাবা হিসেবে অ্যাটিকাসের গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য, সন্তানদের সে স্বতন্ত্র মানুষ এবং নিজের সমকক্ষ হিসেবে সম্মান করে। সন্তানদের মিথ্যা আশ্বাসে ভোলায় না। তাদের বিব্রতকর প্রশ্নের জবাবও সরাসরি দেওয়ার চেষ্টা করে। আট বছর বয়সী মেয়ে স্কাউট যখন জানতে চায় ধর্ষণ কী, অ্যাটিকাসের উত্তর, ‘জোর করে এবং সম্মতি ছাড়া একটা মেয়ে সম্বন্ধে দৈহিক জ্ঞান অর্জন হচ্ছে ধর্ষণ।’

রহস্যময়তা আর অস্বস্তির চাদরে ব্যাপারটিকে ঢেকে দিতে চায়নি সে। নিজের মতো করে সরলভাবে ব্যাপারটা বোঝানোর চেষ্টা করেছে মেয়েকে। কেবল সন্তানের প্রতি সম্মানবোধই নয়, তাদের নিজেদের মতো করে বেড়ে ওঠার স্বাধীনতা দিয়েছে সে। এজন্য অ্যাটিকাস ফিঞ্চ এমন এক বাবা, ‘টু কিল আ মাকিংবার্ড’ পড়ে কোটি কোটি পুরুষ যেমন বাবা হতে চেয়েছেন।

চার্লস ডিকেন্সের ‘আ ক্রিসমাস ক্যারলে’র বব ক্র্যাচিটও সাহিত্যের আরেক স্মরণীয় বাবা। নিজের দরিদ্রতা আর মনিব এবনেজার স্ক্রুজের নিষ্ঠুরতা সত্ত্বেও নিজের পরিবারের জন্য ভালোবাসা আর ইতিবাচকতার এক জ্বলন্ত প্রতীক সে। সন্তানদের প্রতি অকৃত্রিম মমতা প্রতিকূলতার মধ্যেও ভালো বাবা হওয়ার নিরন্তর প্রয়াসের স্মরণীয় এক নিদর্শন। বইটি পড়তে পড়তে পাঠক অনুভব করেন, ধনসম্পদ নয়, হৃদয়ের ঐশ্বর্যই ভালো বাবা হওয়ার মূল চাবিকাঠি।

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পথের পাঁচালী’র হরিহর রায়ও এমনই এক বাবা। স্বপ্নালু, সরল আর উদাসীন এক বাঙালি বাবার প্রতিমূর্তি হরিহর। বংশানুক্রমে পেশায় পুরোহিত হলেও আয় রোজগারের অবস্থা শোচনীয়। কিন্তু হৃদয়িক ঐশ্বর্য তার অফুরান। পুঁথি আর যাত্রাপালা পছন্দ হরিহরের। সংসারের কঠিন বাস্তবতার চেয়ে নিজের শখ আর কল্পনা হরিহরের কাছে বেশি প্রিয়।

সবচেয়ে প্রিয় অবশ্য দুই সন্তান অপু আর দুর্গা। সংসারের প্রতি উদাসীন হলেও ছেলে অপু জীবনে সফল মানুষ হবে, এ স্বপ্ন ছিল ষোলআনা। জীবনযুদ্ধে পরাজিত, কিন্তু স্বপ্নবান আর স্নেহশীল বাবা হিসেবে হরিহর রায়কে তাই বিশ্বসাহিত্যের স্নেহপরায়ণ পিতৃ-চরিত্রগুলোর সামনের সারিতেই রাখতে হবে।

বাবা না হয়েও বাবা হয়ে ওঠা এক বিখ্যাত বাবা ভিক্টর হুগোর ‘লা মিজারেবেল’-এর জাঁ ভালজিন। জেলখাটা এক দাগী অপরাধী ভালজিন। অপ্রত্যাশিতভাবেই কসেট নামে এক ছোট্ট মেয়ের অভিভাবক বনে যেতে হয় তাকে। নিজের কঠিন অতীত সত্ত্বেও ছোট্ট মেয়েটির মধ্যে নিরাপত্তা, আত্মমর্যাদা আর আবেগ সঞ্চারে সমর্থ হয় সে। নিজের সুখশান্তিকে বিসর্জন দিয়ে কসেটকে ভালো রাখার চেষ্টা করে। এভাবেই রক্ত সম্পর্কে বাবা না হয়েও সে হয়ে ওঠে সত্যিকারের বাবা।

এ বিবেচনায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাবুলিওয়ালার রহমতের সঙ্গে মিল আছে ভালজিনের। সুদূর কাবুল থেকে কলকাতায় ব্যবসা করতে আসা সামান্য এক মানুষ রহমত। কিন্তু হৃদয়টা তার আন্তরিকতায় ভরা। স্বদেশে রেখে আসা একমাত্র কন্যার জন্য হৃদয় ব্যাকুল তার।

কলকাতার ছোট্ট শিশু মিনির মধ্যে নিজের মেয়েকে খুঁজে পায় রহমত। মিনির সঙ্গে তার বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। একদিন দুর্ভাগ্য নেমে আসে রহমতের জীবনে। পাওনা টাকা আদায় করতে গিয়ে ছুরিকাঘাতের মতো মারাত্মক অপরাধ করে ফেলে। জেলে পাঠানো হয় তাকে। জেল থেকে আট বছর পর ফিরে আসে সন্তানসম মিনির কাছে। এসে দেখে, মিনি আর ছোটটি নেই। তার বিয়ে হয়ে যাচ্ছে। প্রবল বেদনা রহমতকে আপ্লুত করে। দেশ-কাল-ধর্মের সীমানা পেরিয়ে সন্তানবৎসল বাবার চিরায়ত রূপ ফুটে উঠেছে রহমতের সঙ্গে। সাহিত্যের বিখ্যাত বাবাদের তালিকা করতে গেলে রহমতকে তাই সে তালিকায় রাখতেই হবে।

চিনুয়া আচেবের ‘থিংস ফল অ্যাপার্ট’-এ বাবাপুত্রের সম্পর্ক সে তুলনায় বেশ জটিল। তিন প্রজন্মের বাবা-পুত্র সম্পর্কের জটিলতাকে তুলে ধরা হয়েছে এ উপন্যাসে। উনোকা এক অলস লোক। গ্রামের মানুষ তাকে অকর্মা আর দায়িত্বজ্ঞানহীন বলেই জানে। এ কারণে পুত্র ওকোনকো-ও তাকে অশ্রদ্ধার চোখে দেখে। ঋণগ্রস্ত অবস্থায় অসম্মানজনকভাবে মৃত্যু হয় উনোকার।

বাবার মতো নিন্দিত জীবন যাতে যাপন করতে না হয় সেজন্য ওকনকো প্রাণপণে চেষ্টা করে সম্পদ আর সম্মান অর্জনের। আবেগ তার কাছে দুর্বলতার নামান্তর। নিজের সন্তান নয়োয়ে যাতে আবেগী আর দুর্বল হয়ে বেড়ে না ওঠে সেজন্য প্রতিনিয়ত তাকে চাপের মধ্যে রাখে ওকনকো। নয়োয়ে ধীরস্থির আর চিন্তাশীল মানুষ। নিয়মানুবর্তিতার নামে বাবার এই বাড়াবাড়ি তার কাছে অসহ্য ঠেকে।

এ কারণে শেষ পর্যন্ত স্বেচ্ছায় সমাজচ্যুত হয় সে। বাপ-দাদার ধর্ম ছেড়ে গ্রহণ করে খ্রিস্টধর্ম। সাহিত্যে এমন ‘ব্যর্থ’ বাবার তালিকা নেহাত ছোট নয়। এদের মধ্যে চট করে মনে পড়ে উইলিয়াম ফকনারের ‘অ্যাবসালোম অ্যবসালোম’ উপন্যাসের থমাস স্টুপেনের কথা, সবাইকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা আর অন্যের মূল্যবোধকে খাটো করে দেখাই যার কাজ।

এমিলি ব্রন্টির ‘ওয়েদারিং হাইটস’-এর মিস্টার আর্নশও এমন এক বাবা, নিজের সন্তানদের অবহেলা করে পালকপুত্র হিথক্লিফকে অতি আদর দিয়ে নষ্ট করেন যিনি। আর্নশর মৃত্যুর পর এ কারণেই বিপর্যয় নেমে আসে গোটা পরিবারের ওপর।

অবশ্য সময় বদলেছে। একুশ শতকের নাগরিক বাবা-মা পেশাগত ও গার্হস্থ্য দায়িত্ব নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে নেন। ফলে অনুপস্থিত বাবা এবং আত্মত্যাগী নিবেদিতপ্রাণ মা-র স্টেরিওটাইপগুলো একটু একটু করে বদলে যেতে শুরু করেছে। মা ঘরের কাজ আর সন্তানের যত্ন নেবেন, বাবা বাইরেটা সামলাবেন, এ চিন্তা এখন তামাদি।

বাবা-মা দুজনেই যেহেতু কর্মক্ষেত্রে সমানতালে সক্রিয়, ঘরের দায়িত্ব সামলানোর ব্যাপারে এক ধরনের বোঝাপড়া করে নিতে হচ্ছে নিজেদের মধ্যে। সন্তানের দেখভালের দায়িত্ব নিয়ে বাবা-মার মধ্যে টানাপড়েনও বাড়ছে। এ নিয়ে কথা বলতে গেলে অবশ্যই মনে আসবে অ্যাভেরি করম্যানের বিখ্যাত উপন্যাস ‘ক্রেমার ভার্সাস ক্রেমারে’র কথা, যার ওপর ভিত্তি করে তৈরি চলচ্চিত্রটি সেরা ছবির অস্কার জিতেছিল রবার্ট বেন্টনের অসাধারণ পরিচালনায়।

ডেট ক্রেমার (ডাস্টিন হফম্যান) এক ব্যর্থ পেশাদার। স্ত্রী জোয়ানা (মেরিল স্ট্রিপ) আর ৬ বছর বয়সী ছেলে বিলিকে নিয়ে সুখের সংসার। একদিন হুট করেই সংসার ছেড়ে চলে যায় জোয়ানা। পুত্রকে একা দেখভাল করার কঠিন যুদ্ধে নামে ক্রেমার। পালন করতে হয় একইসঙ্গে মা ও বাবার দায়িত্ব। পিতৃত্ব কাকে বলে তা যেন নতুন করে আবিষ্কার করে সে।

এরই মধ্যে একদিন হুট করে ফিরে আসে জোয়ানা। দাবি করে সন্তানের অধিকার। ব্যাপারটা গড়ায় আদালতে। দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে রায় আসে জোয়ানার পক্ষে। হৃদয় ভেঙে যায় ক্রেমারের। বুকের কষ্ট চেপে রেখে ছেলেকে মায়ের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য প্রস্তুত করে। আর তখনই বিস্ময়। জোয়ানা সিদ্ধান্ত নেয়, ছেলেকে নেবে না। ছেলেকে বড় করে তোলার দায়িত্ব ক্রেমারের ওপরই ছেড়ে দেয় সে। বাবা হিসেবে নিজের দ্বিতীয় জীবন শুরু করে ক্রেমার।

একুশ শতকের নাগরিক বাবারাও অনেকটা ক্রেমারের মতোই। কর্মক্ষেত্রে ও সংসারের ভারসাম্য রক্ষার চেষ্টায় নতুন করে পিতৃত্বের শিক্ষা নিতে হচ্ছে তাদের। আবেগহীন আর অনুপস্থিত বাবারা এখনো আছেন বটে, তবে তাদের সংখ্যা কমতির দিকে। বদলে যাওয়া বাবারা বদলে যাওয়া সমাজেরই প্রতিচ্ছবি। ভবিষ্যতের যন্ত্রজীবন সমাজে আর সাহিত্যে বাবাদের ভূমিকাকে কোন নতুন রূপ দেবে সেটিই এখন দেখার বিষয়।

মোস্তাক শরীফ : শিক্ষক, অনুবাদক, কথাসাহিত্যিক

সম্পর্কিত বিষয়:

আরো পড়ুন

সর্বশেষ

জনপ্রিয়

নামাজের সময়সূচি

ওয়াক্ত সময়সূচি
ফজর ৩:৪৩ - ৫:০৬ ভোর
যোহর ১১:৫৮ - ৪:২৯ দুপুর
আছর ৪:৩৯ - ৬:৪১ বিকেল
মাগরিব ৬:৪৬ - ৮:০৯ সন্ধ্যা
এশা ৮:১৪ - ৩:৩৮ রাত

রবিবার ২১ জুন ২০২৬