মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২


মসজিদুল হারাম ও নববীতে ইতিকাফে অংশ নিয়েছেন হাজারো মুসল্লি

ধর্ম ডেস্ক

প্রকাশিত:১০ মার্চ ২০২৬, ১১:৩৯

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

সৌদি আরবে রমজানের শেষ দশক শুরু হওয়ায় মক্কার মসজিদুল হারাম ও মদিনার মসজিদে নববীতে ইতিকাফে বসেছেন হাজারো মুসল্লি। নিবন্ধন সম্পন্ন করে আনুষ্ঠানিক অনুমতি পাওয়ার পর তারা ইবাদত, জিকির ও আত্মসমালোচনায় নিমগ্ন থাকতে মসজিদে অবস্থান নিয়েছেন।

দুই পবিত্র মসজিদের তত্ত্বাবধানে নিয়োজিত কর্তৃপক্ষ ইতিকাফে অংশ নেওয়া মুসল্লিদের জন্য বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করেছে। মসজিদুল হারামে ইতেকাফকারীদের জন্য একটি বিশেষ কিট দেওয়া হচ্ছে। এতে রয়েছে একটি স্লিপিং ব্যাগ, ব্যাকপ্যাক, বালিশ এবং প্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার সামগ্রী।

এছাড়া মুসল্লিদের জন্য দিকনির্দেশনা, ব্যবস্থাপনা সহায়তা, স্বাস্থ্যসেবা, অনুবাদ সেবা, আপ্যায়ন এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহসহ সার্বিক সহায়তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

অন্যদিকে মদিনার মসজিদে নববীতে ইতিকাফে অংশ নেওয়া নারীদের জন্য ২৪ নম্বর গেট নির্ধারণ করা হয়েছে। এই গেট দিয়ে নারীরা ইতেকাফের জন্য প্রবেশ করছেন।

মসজিদে নববীতে বর্তমানে মোট ৩ হাজার ২০০ মুসল্লি ইতিকাফে অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে ২ হাজার ৪০০ জন পুরুষ এবং ৮০০ জন নারী। পুরুষদের জন্য ইতেকাফের স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে মসজিদের পূর্ব দিকের ছাদে। আর নারীদের জন্য ব্যবস্থা রাখা হয়েছে পূর্ব সম্প্রসারণ অংশে।

ইতিকাফের জন্য নির্ধারিত এলাকাগুলোতে চারটি প্রধান হল রয়েছে এবং প্রতিটি হলে ৪৮টি করে সেকশন রাখা হয়েছে। অংশগ্রহণকারীদের ব্যক্তিগত জিনিসপত্র সংরক্ষণের জন্য ব্যক্তিগত লকারও দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ইবাদতের সময় স্বাচ্ছন্দ্য বজায় রাখতে উপযুক্ত জায়গা বরাদ্দ করা হয়েছে।

ইতিকাফকারীদের জন্য শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা, সুগন্ধি ও বখুর, ইফতার ও সেহরির খাবার, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, দিকনির্দেশনামূলক সাইনবোর্ড এবং ইলেকট্রনিক তথ্যপর্দা রাখা হয়েছে। এছাড়া চিকিৎসা ও অ্যাম্বুলেন্স সেবা, মোবাইল চার্জিং পোর্ট, কাপড় ধোয়ার সুবিধা এবং ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার সামগ্রীসহ আরামদায়ক ঘুমের উপকরণও সরবরাহ করা হচ্ছে।

ইতিকাফ কী?

ইতিকাফ ইসলাম ধর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। এতে একজন মুসলমান পার্থিব ব্যস্ততা থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন রেখে মসজিদে অবস্থান করেন এবং পুরো সময়টুকু আল্লাহর ইবাদত, দোয়া ও আত্মসমালোচনায় কাটান।

রমজানের শেষ দশকে এই ইবাদত পালনের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। নিবন্ধন ও অনুমতি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ায় এখন দুই পবিত্র মসজিদের দরজা খুলে দেওয়া হয়েছে ইতিকাফকারীদের জন্য। তারা রমজানের বাকি রাতগুলো ইবাদত ও আধ্যাত্মিক সাধনায় কাটাবেন।

সম্পর্কিত বিষয়:

আপনার মতামত দিন:

(মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।)
আরো পড়ুন

সর্বশেষ

জনপ্রিয়

নামাজের সময়সূচি

ওয়াক্ত সময়সূচি
ফজর ৪:৫৯ - ৬:০৯ ভোর
যোহর ১২:০৯ - ৪:১৫ দুপুর
আছর ৪:২৫ - ৫:৫৯ বিকেল
মাগরিব ৬:০৪ - ৭:১৪ সন্ধ্যা
এশা ৭:১৯ - ৪:৫৪ রাত

মঙ্গলবার ১০ মার্চ ২০২৬