বুধবার, ৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ফাইল ছবি
আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপের জন্য ইতোমধ্যে চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে প্রতিযোগী ৪৮টি দেশ। যেখানে ১২৪৮ ফুটবলার ডাক পেয়েছেন। এর মধ্যে ৮ জনেরই বয়স ৪০ বছর বা তারও অধিক। যা ফিফার এই মেগা ইভেন্টের এক আসরে সর্বোচ্চসংখ্যক ৪০ বছর বয়সী খেলোয়াড় উপস্থিতির রেকর্ড। অথচ ইতিহাসে এখন পর্যন্ত ৪০ বা এরবেশি বয়সী কেবল ৮ জন ফুটবলার বিশ্বকাপ খেলেছেন।
১৯৩০ সাল থেকে ফুটবলভক্তদের বুঁদ করে আসছে ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ। এখন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ২২ আসরে সবমিলিয়ে কেবল ৮ ফুটবলারের বয়স ন্যূনতম ৪০ বছর ছিল। বিগত সকল আসরকে ছাড়িয়ে কেবল ২৩তম আসরেই ৮ জন ওই বয়সী ফুটবলার মাঠে নামবেন। যেখানে বয়সের দিক থেকে বাকিদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন স্কটল্যান্ডের গোলরক্ষক ক্রেইগ গর্ডন।
এবারের বিশ্বকাপে খেলতে যাওয়া ৪০ বা এরবেশি বয়সী ৮ ফুটবলারের মধ্যে পাঁচজনই গোলরক্ষক– ক্রেইগ গর্ডন, গুইলার্মো ওচোয়া, ম্যানুয়েল নয়্যার, জোসিমার দিয়াজ ও ফার্নান্দো মুসলেরা। এর মধ্যে গর্ডন ও দিয়াজ দুজনেই প্রথম কোনো বিশ্বকাপ খেলবেন। কিছুটা বিস্ময়কর হলেও মজার বিষয় হচ্ছে, স্কটিশ গোলরক্ষক প্রথম এই মেগা ইভেন্টে খেলার সুযোগ পেলেন ৪৩ বছর বয়সে। ১৯৯৮ আসরের পর তার দেশ এবারই বিশ্বকাপে ফিরেছে।
আসন্ন ২৩তম বিশ্বকাপ আসরের ‘সি’ গ্রুপে রয়েছে স্কটল্যান্ড, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ ব্রাজিল, মরক্কো ও হাইতি। নিজেদের তৃতীয় ম্যাচেই স্কটিশ গোলরক্ষক গর্ডন পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের মোকাবিলার সুযোগ পেতে পারেন। এই আসরের দ্বিতীয় বয়োজ্যষ্ঠ খেলোয়াড় পর্তুগিজ সুুপারস্টার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ৪১ বছর বয়সী এই তারকা নিজের ষষ্ঠ বিশ্বকাপ আসর খেলতে নামবেন, যা যৌথভাবে সর্বোচ্চ আসরে নামার রেকর্ডও।
রোনালদোর মতো মেক্সিকোর ৪০ বছর বয়সী গোলরক্ষক ওচোয়াও ষষ্ঠ বিশ্বকাপ খেলবেন এবার। বিশ্বকাপের বয়োজ্যষ্ঠ খেলোয়াড়দের মধ্যে কেবল লুকা মদ্রিচ (ইন্টার মিলান) ও ম্যানুয়েল নয়্যার (বায়ার্ন মিউনিখ) ইউরোপের শীর্ষ লিগে আছেন।