রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩


অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়

খেলা ডেস্ক

প্রকাশিত:১৬ আগষ্ট ২০২৬, ১১:১৭

ছবি-সংগৃহীত

ছবি-সংগৃহীত

লাল-সবুজের ক্রিকেট ইতিহাসে এর চেয়ে রোমাঞ্চকর, এর চেয়ে শিহরণ জাগানিয়া মুহূর্ত সম্ভবত আর আসেনি! ডারউইনের বাইশ গজে আজ কেবল একটি টেস্ট ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারিত হয়নি; বরং লেখা হয়েছে বাংলাদেশের ক্রিকেট-রূপকথার সবচেয়ে গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। যে অস্ট্রেলিয়ার রুক্ষ মাটি ও বাউন্সি উইকেট উপমহাদেশের যেকোনো দলের জন্যই এক অলঙ্ঘনীয় প্রাচীর, ঠিক সেখানেই চার দিন ধরে বুক চিতিয়ে রাজত্ব করেছে টাইগাররা। স্বাগতিকদের সমস্ত অহংকার গুঁড়িয়ে দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম এক অভাবনীয় ঐতিহাসিক টেস্ট জয় তুলে নিয়েছে টাইগাররা।

ক্যামেরন গ্রিনের লড়াকু সেঞ্চুরিতে ভর করে ক্যাঙারু শিবির খাদের কিনারা থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর যে শেষ চেষ্টা করেছিল, পেসার হাসান মাহমুদের একটি জাদুকরী ডেলিভারিতেই তা নিমিষে শেষ হয়ে যায়। তাসকিনের আগ্রাসী গতির পর স্পিন-জাদুকর মিরাজের ১৫তম 'ফাইফার' অজিদের প্রতিরোধকে পুরোপুরি ধসিয়ে দিয়েছে।

প্রথম ইনিংসে ৪২৬ রানের বিশাল পাহাড় গড়ার সুবাদে, ডারউইনের এই মহাকাব্যিক জয়ের পূর্ণতা পেতে বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য ছিলো ৫৭ রানের সহজ সমীকরণ। সেই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে সাদমান ইসলাম ও মুমিনুল হকের ব্যাটে ৯ উইকেটের জয় পায় টাইগাররা। তাতে অজিদের ঘরের মাঠে প্রথমবারের মতো টেস্ট জয়ের স্বাদ পায় শান্ত-লিটনরা। এদিকে ২ ম্যাচ টেস্ট সিরিজে ২-১ এগিয়ে রইলো টাইগাররা।

জয়ের জন্য ছোট এই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা অবশ্য কিছুটা অস্বস্তির ছিল টাইগারদের। ইনিংসের একদম শুরুতেই জশ হ্যাজেলউডের অসাধারণ এক ডেলিভারিতে কোনো রান না করেই প্যাভিলিয়নে ফেরেন আগের ইনিংসে শতক হাকানো ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। তবে সেই শুরুর ধাক্কাটা দলের ওপর কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারেনি।

প্রাথমিক ওই বিপদের পর শক্ত হাতে দলের হাল ধরেন সাদমান ইসলাম ও মুমিনুল হক। অজি পেসার মিচেল স্টার্ক কিংবা স্পিনার নাথান লায়নের কোনো আক্রমণই তাদের টলাতে পারেনি, উল্টো তাদের বল থেকে বাউন্ডারি আদায় করে নিয়েছেন তারা। দুজনের সাবলীল ও দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে নির্বিঘ্নে পাড়ি দেয় এই সহজ লক্ষ্য। শেষ পর্যন্ত সাদমান ২৫ এবং মুমিনুল ৩০ রানে অপারিজত থাকেন।

সম্পর্কিত বিষয়:

আরো পড়ুন

সর্বশেষ

জনপ্রিয়

নামাজের সময়সূচি

ওয়াক্ত সময়সূচি
ফজর ৪:১৪ - ৫:২৯ ভোর
যোহর ১২:০৩ - ৪:২৮ দুপুর
আছর ৪:৩৮ - ৬:২৬ বিকেল
মাগরিব ৬:৩১ - ৭:৪৬ সন্ধ্যা
এশা ৭:৫১ - ৪:০৯ রাত

রবিবার ১৬ আগস্ট ২০২৬