শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩
ছবি-সংগৃহীত
টেস্ট ইতিহাসে বাংলাদেশের সর্বনিম্ন রান ৪৩। ম্যাকায়ে টেস্টে স্টার্ক-কামিন্সদের আগুনে বোলিংয়ে আগের সেই সর্বনিম্ন রান টপকাতে পারবে কি না টাইগাররা এ নিয়েই শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। ৩৯ রানে ৯ উইকেট হারানোর পর সেই শঙ্কা আরও জোরালো হয়। তবে শেষের দুই ব্যাটসম্যান তাইজুল ও শরিফুল সেটি হতে দেননি। সবশেষ উইকেট জুটিতে দুজনে মিলে ২৫ রান তুলে দলকে লজ্জা থেকে বাঁচিয়েছেন।
পুরো ইনিংসে এটাই সর্বোচ্চ রানের জুটি। শরিফুলের বিদায়ের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ অলআউট ৬৪ রানে। তাইজুল করেন ১১ আর শরিফুল করেন ইনিংসের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ১৪ রান।
বাংলাদেশের জন্য দুঃস্বপ্নের ছিল প্রথম সেশন। মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে যাচ্ছেন দুই দলের ক্রিকেটাররা। ম্যাকাই টেস্টের প্রথম দুই ঘণ্টা বাংলাদেশ ভুলেই যেতে চাইবে। প্রথম বলে সাদমান ইসলামের আউট হয়ে যাওয়ার পরই বিপর্যয়ের শুরু হয়েছিল, প্রথম ঘণ্টায়ই তারা হারিয়ে ফেলে ৫ উইকেট। সবগুলোই পান স্টার্ক।
বাঁহাতি এই পেসারের গতি, সুইং তো ছিলই; বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরাও নিজেদের ওপর বাড়তি চাপ নিয়ে ফেলেছিলেন। হাফভলিতে ক্যাচ দিয়েছেন উইকেটের পেছনে, কারও কারও শট সিলেকশনও ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। ১২ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে সর্বনিম্ন রানের রেকর্ডও নতুন করে লেখার সম্ভাবনা জাগিয়েছিল বাংলাদেশ।
প্রথম ঘণ্টায় বিপর্যয়ের পর মুশফিকুর রহিমের ব্যাটে একটু আশা দেখা গিয়েছিল। কিন্তু তিনিও কামিন্সের ভেতরে ঢোকা বলে বোল্ড হয়ে যান। এরপরও টেস্ট ইতিহাসের সর্বনিম্ন (২৬) ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সর্বনিম্ন (২৭) রানে অলআউট হওয়ার রেকর্ড এড়ানো গেছে। শেষ পর্যন্ত নিজেদের ইতিহাসে সর্বনিম্ন ৪৩ রানে অলআউটের লজ্জার রেকর্ডও এড়িয়েছে টাইগাররা।