বৃহঃস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩
ফাইল ছবি
বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস আজ ৩ সেপ্টেম্বর। প্রায় ১৮ মাস কারাবন্দি থাকার পর ২০০৮ সালের এই দিনে তৎকালীন সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে রাজধানীর পিজি হাসপাতাল থেকে জামিনে মুক্তি পান তিনি।
কারামুক্তির আট দিন পর, ১১ সেপ্টেম্বর উন্নত চিকিৎসার জন্য সপরিবারে লন্ডনে যান তারেক রহমান। দীর্ঘ ১৭ বছর পর ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরেন তিনি। এর মধ্য দিয়ে শেষ হয় তার ৬ হাজার ৩১৪ দিনের প্রবাসজীবন।
২০০৭ সালের ৭ মার্চ রাজধানীর ক্যান্টনমেন্টের বাসা থেকে তারেক রহমানকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর বিভিন্ন মামলায় তাকে কারাগারে রাখা হয়। কারাগারে থাকাকালে নির্যাতনের শিকার হওয়ার অভিযোগ করে আসছে বিএনপি। একপর্যায়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে চিকিৎসার জন্য পিজি হাসপাতালে নেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: ‘ঢাকাসহ শহরগুলোতে প্রশিক্ষণ বিমানের জন্য স্বতন্ত্র রানওয়ে নয়’
২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর বিকেলে হাসপাতাল থেকে জামিনে মুক্তি পান তৎকালীন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব তারেক রহমান। এ সময় হাসপাতালের বাইরে বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা ভিড় করেন।
বিএনপির নেতাকর্মীদের কাছে দিনটি তার রাজনৈতিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। দলটির নেতাদের অভিযোগ, কারাবন্দি অবস্থায় তারেক রহমানকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশে নির্যাতন করা হয়েছিল। তাদের দাবি, নির্যাতনের কারণে তার মেরুদণ্ডে গুরুতর সমস্যা দেখা দেয় এবং মুক্তির পরও তাকে দীর্ঘদিন চিকিৎসা নিতে হয়েছে।
কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে বিএনপি এবং দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে। এর অংশ হিসেবে গতকাল বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে উত্তরাঞ্চল ছাত্র ফোরাম আয়োজিত এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা তারেক রহমানের কারাবাস ও সে সময়ের নির্যাতনের প্রসঙ্গ তুলে বক্তব্য দেন।
দলীয় সূত্র জানিয়েছে, প্রতিবছরই বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে তারেক রহমানের কারামুক্তির দিনটি স্মরণ করেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। তাদের কাছে ৩ সেপ্টেম্বর তার রাজনৈতিক জীবনের একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন।